আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটা মানুষ মজা করার সুযোগ পাওয়ার যোগ্য — নিরাপদে, স্বচ্ছভাবে এবং নিজের শর্তে। সেই ভাবনা থেকেই sk999-এর জন্ম।
২০২০ সালে যখন sk999 প্রথমবার যাত্রা শুরু করে, তখন লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটা ভালো অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা। সেই সময়টায় বাজারে যেসব প্ল্যাটফর্ম ছিল সেগুলোর বেশিরভাগই বিদেশি ভাষায় চলত, পেমেন্ট সিস্টেম বাংলাদেশের জন্য উপযুক্ত ছিল না, আর সাপোর্ট পাওয়াটা ছিল রীতিমতো ঝামেলার।
sk999-এর প্রতিষ্ঠাতারা এই সমস্যাটা নিজেরাও ভোগ করেছেন। তাই সিদ্ধান্ত নিলেন — বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে, বাংলা ভাষায়, বিকাশ-নগদ দিয়ে পেমেন্ট করে এমন একটা প্ল্যাটফর্ম বানাবেন যেখানে মানুষ আস্থা রাখতে পারবে। সেই ভাবনাটাই আজকের sk999।
মাত্র চার বছরেই sk999 বাংলাদেশের পাঁচ লক্ষেরও বেশি মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ sk999-এর গেম লবিতে আসেন, খেলেন, জেতেন। এই সংখ্যাটা নিছক পরিসংখ্যান না — প্রতিটা সংখ্যার পেছনে আছে একজন মানুষের ভরসা।
বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষের কাছে নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দদায়ক অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। sk999 বিশ্বাস করে যে ভালো গেমিং মানেই ন্যায্য খেলা, দ্রুত পেমেন্ট এবং মানুষের মতামতকে সম্মান করা।
২০২৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশের এক নম্বর লাইসেন্সড গেমিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া। প্রযুক্তি ও মানবিক স্পর্শ একসাথে রেখে এমন একটা ইকোসিস্টেম তৈরি করা যেখানে সদস্যরা শুধু গেমার না, পরিবারের অংশ অনুভব করবেন।
সততা, স্বচ্ছতা এবং দায়িত্বশীলতা — এই তিনটা মূল্যবোধ sk999-এর প্রতিটা সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকে। আমরা মানি যে আমাদের সদস্যরা আস্থা রাখেন বলেই এই প্ল্যাটফর্ম টিকে আছে।
অনলাইনে গেমিং প্ল্যাটফর্মের অভাব নেই। কিন্তু sk999 যেটা করে সেটা অনেক প্ল্যাটফর্ম করে না — সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের মানুষের পাশে থাকা। বাংলা ভাষায় সাপোর্ট, বিকাশ-নগদ দিয়ে মুহূর্তের মধ্যে ডিপোজিট, এবং বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের পছন্দের গেম — এই বিষয়গুলো sk999-কে সত্যিকারের স্থানীয় প্ল্যাটফর্ম করে তুলেছে।
sk999-এর সব গেম RNG (Random Number Generator) সার্টিফাইড। মানে হলো প্রতিটা গেমের ফলাফল সম্পূর্ণ এলোমেলো এবং পূর্বনির্ধারিত নয়। তৃতীয় পক্ষের অডিটিং ফার্ম নিয়মিত গেমগুলো পরীক্ষা করে। এটা শুধু কথার কথা না — এই সার্টিফিকেটগুলো sk999-এর লাইসেন্সের অংশ।
পেমেন্টের ক্ষেত্রে sk999 বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুত উইথড্র নিশ্চিত করার চেষ্টা করে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৩০ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে টাকা পৌঁছে যায়। ভিআইপি সদস্যদের জন্য এক্সপ্রেস উইথড্র আরও দ্রুত। কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঝামেলা নেই।
সাপোর্ট টিম ২৪ ঘণ্টা সাত দিন কাজ করে। লাইভ চ্যাটে বাংলায় কথা বলা যায়। কোনো সমস্যা হলে সাধারণত ১৫ মিনিটের মধ্যে সমাধান হয়। sk999 মনে করে ভালো সাপোর্ট মানে শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া না — সদস্যের সমস্যাটা সত্যিকারের বোঝা এবং সমাধান করা।
sk999-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক ডেটা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকে — তৃতীয় পক্ষের কাছে কোনো তথ্য যায় না।
বিকাশ, নগদ ও রকেটে মাত্র ২–৫ মিনিটে ডিপোজিট। উইথড্র সাধারণত ৩০ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন। ন্যূনতম ডিপোজিট মাত্র ৳২০০।
স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, ফিশ গেম, স্পোর্টস বেট — সব ধরনের গেম একটি লবিতে। প্রতিটা গেম RNG-সার্টিফাইড ও নিয়মিত অডিটেড।
sk999-এর সাপোর্ট টিম দিনরাত বাংলায় সাহায্য করে। লাইভ চ্যাট, ইমেইল — যেকোনো মাধ্যমে যোগাযোগ করলে দ্রুত সাড়া পাবেন।
sk999 প্রথম থেকেই মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা ভেবে তৈরি। Android ও iOS উভয়ে সাবলীলভাবে চলে, অ্যাপ বা ব্রাউজার যেটাই পছন্দ।
ওয়েলকাম বোনাস থেকে শুরু করে ডেইলি ফ্রি স্পিন, সাপ্তাহিক রিলোড ও ক্যাশব্যাক — sk999 সদস্যদের প্রতিদিন কিছু না কিছু দেয়।
sk999 শুধু একটা গেমিং প্ল্যাটফর্ম না — এটা একটা দায়িত্বশীল সম্প্রদায়। আমরা জানি গেমিং মজার, কিন্তু এটা যেন কখনো কোনো সদস্যের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে সেটাও আমাদের দায়িত্ব। তাই sk999-এ আছে ডিপোজিট লিমিট সেট করার সুবিধা, সেলফ-এক্সক্লুশন অপশন এবং গেমিং ব্রেকের ব্যবস্থা।
sk999-এ যোগ দিতে হলে বয়স ন্যূনতম ১৮ বছর হতে হবে। এটা কোনো ঐচ্ছিক নিয়ম না — এটা আমাদের লাইসেন্সের শর্ত এবং নৈতিক দায়িত্ব। পরিবারের ছোটদের থেকে অ্যাকাউন্ট দূরে রাখতে আমরা পেরেন্টাল কন্ট্রোল টুলসও দিই।
যদি কেউ মনে করেন তিনি বা তার পরিচিত কেউ অতিরিক্ত গেমিং করছেন, sk999-এর সাপোর্ট টিমে যোগাযোগ করলে তারা সাহায্য করবে। দায়িত্বশীল খেলা মানেই হলো নিজের সীমাটা জানা এবং সেই অনুযায়ী খেলা।
৫ লক্ষ+ সদস্যের সাথে আপনিও শুরু করুন। নিবন্ধন করলেই পাবেন ১০০% ওয়েলকাম বোনাস।